প্রধান অ্যাডমিরাল

প্রধান অ্যাডমিরাল বা গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল একটি ঐতিহাসিক নৌবাহিনীর সামরিক পদ। এটি বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় নৌবাহিনীর জন্য সর্বোচ্চ পদমর্যাদা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। জার্মানী Großadmiral নামে এটিকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। আধুনিক নৌবাহিনীতে এটির একটি তুলনামূলক পদমর্যাদা হল নৌবহরের অ্যাডমিরাল।

বিভিন্ন নৌবাহিনীতে গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল

ফ্রান্স

বোরবন পুনর্নির্মাণ ফ্রান্সে, পদটি ছিল ফরাসি সেনাবাহিনীতে মার্শালের সমতুল্য।

জার্মানি

প্রধান অ্যাডমিরাল
Großadmiral
জেনেরাল অ্যাডমিরাল পদের নিশানা (১৯৩৯-১৯৪৫)
কাঁধে এবং হাতায়
দেশ  জার্মান সাম্রাজ্য
 নাৎসি জার্মানি
সেবার শাখা  Kaiserliche Marine
 Kriegsmarine
পদবির গ্রুপপতাকা অফিসার
গঠন১৯০১
বিলুপ্তি১৯৪৫
পরবর্তী নিম্নতর পদবিGeneraladmiral
সমমানের পদবিGeneralfeldmarschall

জার্মানীয় সাম্রাজ্যের নৌবাহিনীতে এবং পরে Kriegsmarine তে, Großadmiral পদটি ছিল একজন ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরের অ্যাডমিরালের সমতুল্য; পাঁচ তারকা র‌্যাঙ্ক হিসেবে (OF-10)। ফিল্ড মার্শালদের মতো এর ধারকদেরও লাঠি বহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।[১]

পদটি ১৯০১ সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং ১৯৪৫ সালে আটজন লোককে পদোন্নতি দেওয়ার পরে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী জুনিয়র পদমর্যাদার ছিলেন Generaladmiral (অ্যাডমিরাল-জেনারেল)।

ইম্পেরিয়াল জার্মানি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে এবং সময়কালে, নিম্নলিখিতদেরকে জার্মানীয় সাম্রাজ্যের নৌবাহিনীর গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল করা হয়েছিল ( Kaiserliche Marine ):

  • যুক্তরাজ্যের রাজা এডওয়ার্ড সপ্তম (২৬ জুন ১৯০২)
  • Hans von Koester (২৮ জুন ১৯০৫)
  • সুইডেনের রাজা দ্বিতীয় অস্কার (১৩ জুলাই ১৯০৫)
  • প্রুশিয়ার প্রিন্স হেনরি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯০৯)
  • Alfred von Tirpitz (27 জানুয়ারী 1911)
  • Henning von Holtzendorff (৩১ জুলাই ১৯১৮)

নাৎসি জার্মানি

Großadmiral(গ্রোসাডমিরাল) Kriegsmarine সবচেয়ে সিনিয়র পদ ছিল। আর Generaladmiral ছিল ঠিক এর পরের পদ। 1939 সাল পর্যন্ত আর কোন গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল ছিল না। নাৎসি শাসনামলে নিম্নলিখিত পুরুষদের গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল করা হয়েছিল:

  • Erich Raeder, ১লা এপ্রিল ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল করা হয়, তারপর Kriegsmarine এর কমান্ডার ইন চিফ করা হয়েছিল।
  • Karl Dönitz, ইউ-বোট নৌবহরের কমান্ডার ছিলেন। তাকে কমান্ডার ইন চিফ থেকে পদোন্নতি করে ৩০শে জানুয়ারী ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল করা হয়। .

অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি

অস্ট্রিয়ার Großadmiral এর নিশানা
হাতার চিহ্ন
কমান্ডার পতাকা
কর্পস রঙ (নেভী ব্লু)

Anton Haus বাদে সকলেই ইম্পেরিয়াল পরিবারের সদস্য ছিলেন , প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অংশের জন্য অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান নৌবাহিনীর কমান্ডার:

ইতালি

গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল পদমর্যাদা (ইতালীয়: grand'ammiraglio বেনিতো মুসোলিনি ১৯২৪ সালে Paolo Thaon di Revelকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন; প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যিনি ইতালীয় Regia Marina এর প্রধান ছিলেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই পদে ভূষিত হন। এটি সেনাবাহিনীতে ইতালির মার্শাল এবং বিমান বাহিনীর মার্শালের সমতুল্য ছিল।

পেরু

১৯৬৭ সালে পেরুর গ্র্যান্ড অ্যাডমিরালের পদমর্যাদা ( স্পেনীয়: Gran Almirante del Perú) মিগুয়েল গ্রাউ সেমিনারিওকে মরণোত্তর ভূষিত করা হয়েছিল এবং এটি ছিল পেরুর গ্র্যান্ড মার্শালের সেনা পদের সমতুল্য।

কথাশিল্পে

কল্পকাহিনী এবং বিজ্ঞান কল্পকাহিনীতে উপস্থিত বেশ কয়েকটি গ্র্যান্ড অ্যাডমিরালের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন স্টার ওয়ার্স সায়েন্স ফিকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল থ্রোন। [২]

তথ্যসূত্র

 

🔥 Top keywords: প্রধান পাতাবিশেষ:অনুসন্ধানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর২০২৪ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপকাজী নজরুল ইসলামবাংলাদেশ ডাক বিভাগশেখ মুজিবুর রহমানএক্স এক্স এক্স এক্স (অ্যালবাম)বাংলাদেশছয় দফা আন্দোলনক্লিওপেট্রাবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪আবহাওয়ামুহাম্মাদব্লু হোয়েল (খেলা)বাংলা ভাষাইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউনবাংলা প্রবাদ-প্রবচনের তালিকাভারতভূমি পরিমাপবাংলা ভাষা আন্দোলনমহাত্মা গান্ধীমিয়া খলিফামৌলিক পদার্থের তালিকাবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলপহেলা বৈশাখপদ্মা সেতুলোকসভা কেন্দ্রের তালিকামাইকেল মধুসূদন দত্তসুনীল ছেত্রীবাংলাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তালিকাবিশেষ:সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহআসসালামু আলাইকুমপশ্চিমবঙ্গবাংলাদেশে পালিত দিবসসমূহশেখ হাসিনাবাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রীজয়নুল আবেদিন